প্রকাশিত: Wed, Apr 26, 2023 2:18 AM
আপডেট: Mon, Jan 26, 2026 3:21 AM

বিশ্বের দ্বিতীয় গভীরতম ব্লু-হোলের খোঁজ মেক্সিকোয়


ইমরুল শাহেদ: গর্তটি দূর থেকে দেখলে মনে হবে ঘন নীল চোখ। এর তলের খোঁজ মেলে না। সমুদ্রবিজ্ঞানীরা বলেন, অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে সমুদ্রে তৈরি হওয়া গভীর রন্ধ্রে। একে বলে ব্লু হোল । মধ্য আমেরিকার উত্তর-পূর্ব উপকূলের বেলিজ সিটি এলাকায় এমন ব্লু হোল আছে, যাকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়েছে। এমন আরও একটি গভীরতম ব্লু হোলের খোঁজ মিলল মেক্সিকোতে। দি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

মেক্সিকোর চেটুমাল সাগরে  খোঁজ পাওয়া ৯০০ ফুট গভীর এক গর্তের আয়তন কম করেও ১ লাখ ৪৭ হাজার বর্গ ফুট। মেরিন সায়েন্স জার্নালে এই খবর ছাপা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্বের দ্বিতীয় গভীরতম ব্লু হোল।

মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের কোস্টাল মেরিন সায়েন্টিস্ট ক্রিস্টোফার জি স্মিথ বলেছেন, সমুদ্রের মাঝে বা কোনও দ্বীপের আশপাশে দৈত্যাকার রন্ধ্রকে বলে ব্লু হোল। সমুদ্রের স্বাভাবিক গভীরতার চেয়ে এই ব্লু হোল গুলির গভীরতা অনেক বেশি হয়। বড়সড় গর্তের মতো আকারের এই সব ব্লু হোলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত সূর্যালোক পৌঁছয় না। ফলে এর গর্ভ অন্ধকার থাকে এবং তার পানিকে দেখে মনে হয় অনেক বেশি গাঢ় নীল। এর ভেতরে অক্সিজেন পৌঁছায় না। 

১৯৭১ সালে সমুদ্রের মাঝে বেলিজ সিটি এলাকায় এমন ব্লু হোলের খোঁজ পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। সমুদ্রের গাঢ় নীল জলের মধ্যে প্রবাল-শৈবাল দিয়ে ঘেরা সেই জায়গাটি দেখতে অনেকটা গর্তের মতো। ৪০০ ফুট গভীর সেই গর্তে অক্সিজেনের এরপর পৃষ্ঠা ৭, সারি 

(শেষ পৃষ্ঠার পর) পরিবর্তে জলের মধ্যে ছিল হাইড্রোজেন সালফাইড। যে ডুবুরিরা রহস্য উদঘাটনে নেমেছিলেন তারা কেউ ফিরে আসেননি। পরে তাদের মৃতেহ উদ্ধার হয় জলের তলা থেকে। মেক্সিকোর ব্লু হোলে এখনও অভিযান চালানো হয়নি। তবে এর গভীরে কী রহস্য লুকিয়ে আছে তা দেখতে শিগগিরই জলে ঝাঁপাবেন ডুবুরিরা। সম্পাদনা: শামসুল বসুনিয়া